রূপশ্রী প্রকল্পে একাধিক ভুঁয়ো আবেদন বাড়িতে তদন্তে গিয়ে হতাবাক বিডিও

10th July 2021 7:58 pm রাজ্য
রূপশ্রী প্রকল্পে একাধিক ভুঁয়ো আবেদন বাড়িতে তদন্তে গিয়ে হতাবাক বিডিও


রূপশ্রী প্রকল্পে একাধিক ভুঁয়ো আবেদন বাড়িতে তদন্তে গিয়ে হতাবাক বিডিও

আকরাম রেজা , খড়গ্রাম 

রূপশ্রী প্রকল্পে আবেদন কারীদের বাড়িতে সরজমিনে তদন্তে গিয়ে হতাবাক মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্রাম ব্লকের বিডিও বাপি ধর। শনিবার এড়োয়ালী, সাদল ও পদমকান্দি তিন পঞ্চায়েত এলাকার১০ জুলাই মোট পাঁচজনের বিয়ে রয়েছে এই মর্মে রূপশ্রী প্রকল্পের আবেদন জানায় ব্লক অফিসে। রূপশ্রী প্রকল্পের সরকারি সুবিধা বেনিফিসারীদের পাইয়ে দিয়ে শনিবার ছুটির দিন আবেদনকারীদের বাড়িতে হাজির হন বিডিও। তবে আবেদন কারী ওই পাঁচটি বাড়িতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ! কোন বিয়ের অনুষ্টানই নেই বলে জানিয়েদেয় তাদের পরিবারের লোকজন। একই দিনে পাঁচ পাঁচটি মিথ্যা আবেদনে বেজায় চটেছেন বিডিও বাপি ধর।


   আবেদন কারীদের শোকোজ করে তিন দিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যথা আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি দিয়েছেন বিডিও বাপি ধর। 
   উল্লেখ্য কিছুদিন আগে রুপশ্রী প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছিল সাগরদীঘির কড়াইয়া গ্রামে। ঐ গ্রামের রেখা কর্মকার নাম এক মহিলার ব্যাঙ্কের খাতায় ৭০০ টাকা ছিল সেই টাকার মধ্যে ৫০০ টাকা তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ। তাঁর ব্যাঙ্কের  খাতায় ২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত জমা হয়ে আছে।খোঁজ নিয়ে ঐ মহিলা জানতে  পারেন তার গ্রামেরই দুই ব্যক্তি তাকে ভুল বুঝিয়ে তার আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্কের পাশ বই-এর জেরক্স কপি নেয় এবং তাকে বলে কর্মকার স্কীমে ৫  হাজার টাকা অনুদান পাবে । এই অনুদান পাবার  জন্য সে তার কাগজপত্র দেন। তার পর থেকেই মুর্শিদাবাদ জুড়ে নড়েচড়ে বসেছে ব্লক প্রশাসন। আরও একবার ধরা পড়ল রূপশ্রীর ভুঁয়ো আবেদন। 
  





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।