বেহাল দশা কাবিলপুরের রাস্তা! ভোগান্তির শেষ কোথায় প্রশ্ন এলাকাবাসীর

13th June 2021 4:33 pm জেলা
বেহাল দশা কাবিলপুরের রাস্তা! ভোগান্তির শেষ কোথায় প্রশ্ন এলাকাবাসীর



বেহাল দশা কাবিলপুরের রাস্তা! ভোগান্তির শেষ কোথায় প্রশ্ন এলাকাবাসীর 

জৈদুল সেখ, মোঃ মুস্তফা শেখ , সাগরদিঘি  

 

  মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদীঘি থানার অন্তর্গত  কাবিলপুর রাস্তার চরম বেহাল দশা ! বালিয়া থেকে কাশিয়া ডাঙ্গা পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচ কিমি রাস্তা একেবারে বেহাল অবস্থা। দৈনন্দিন মানুষের যাতায়াত করতে এলাকাবাসীর নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে এই রাস্তায়! 
 উল্লেখ্য এই রাস্তার মধ্যে দুটি মাদ্রাসা কলেজ, দুটি হাই স্কুল, চারটি এমএসকে এবং এসএসকে সহ প্রায় কুড়িটি প্রাইমারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি স্কুল বাইশটি! প্রতিদিন হাজার হাজার লোকের যাতায়াত, যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে অসুস্থ রোগী এবং বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে, টোটো গাড়িও যেন চলাচল খুব বিপদের! অথচ বিপদের মধ্যেই নিত্য যাত্রা এই রাস্তার উপর দিয়ে! যদিও খুব অসুবিধার মধ্য দিয়ে কলকাতার বাস বাঁকুড়ার বাস বীরভূমের বাস মালদহের বাস এই রুটে যাতায়াত করতে দেখা যায়!

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল সেখ জানান " বালিয়া থেকে  টিকটিকি পড়ার মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ জনবহুল এলাকা যেমন কাশিয়াডাঙ্গা তেঘরিপাড়া কাবিলপুর বটতলা রঞ্জিতপুর মথুরাপুর অম্রিতপুর এরমধ্যে চারটি বড় বড় ফেরিঘাট ও রয়েছে যেখানে তিন-চারটে ব্লক এর সাথে সাগরদীঘি তথা বালিয়া-কাবিলপুরের দৈনন্দিন যোগাযোগ অথচ এত বছর ধরে এরুপ বেহাল দশায়  জঙ্গলের পরিবেশের মত রাস্তাটি মুখ থুবরে পড়ে থাকে কিভাবে! তুলেছেন প্রশ্ন?
 তাছাড়া সেলিম বলেন " সবচাইতে মজার ব্যাপার অতি সূক্ষ্মভাবে সুপরিকল্পিত পদ্ধতিতে এই জনবহুল রাস্তাটিকে জঙ্গিপুর থেকে আজিমগঞ্জ বড় রাস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে কেন? উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের জোরালো আবেদন ও দাবি অনতিবিলম্বে এই রাস্তাটিকে জঙ্গিপুর-বালিয়া ভায়া কাবিলপুর-টিকটিকি পাড়া আজিমগঞ্জ  করা হোক। 
 
সাধারণ মানুষের এখন দাবী এই রাস্তা প্রশাসন ইচ্ছা করলে জাতীয় সড়কের মতো মজবুত করতে পারে কিন্তু উদাসীন কেন! এখন দেখার বিষয় এই রাস্তার করুন অবস্থা কবে দূর হয়! 





Others News

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল

১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলেন অর্পিতা পাল


মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই অসুস্থ পরীক্ষার্থী!  হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা করল সরকার 

 

  • ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল অর্পিতা পাল 
  • দীর্ঘদিন পর খাতা কলমে শুরু হলো মাধ্যমিক, পরিদর্শনে বিডিও 

 

রঙ্গিলা খাতুন, কান্দি


রাজ্যের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জুড়ে আজ থেকে শুরু হলো মাধ্যমিক পরীক্ষা। দীর্ঘ দুই বছর করোনা মহামারিতে অনলাইনে ক্লাস, ও পরীক্ষার পর এবার অনলাইন মুড কাটিয়ে জীবনের প্রথম সব চাইতে বড় পরীক্ষায় বসলেন সকল মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রীরা।করোনা মহামারীর কারণে বিগত বছরগুলোর রেকর্ড ভেঙে, এই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন,ছাত্র ছাত্রীরা। এই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন কান্দি বিভিন্ন স্কুল উঠে এলো এমনই চিত্র। প্রথম দিন পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয় অভিভাবক ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদিন বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করে। কান্দির বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কড়া সতর্কতার মধ্যে শুরু হয় পরীক্ষা।


     করোনা বিধি মেনে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি মহকুমার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে। করোনা কালে বন্ধ ছিল স্কুল, ব্যাঘাত ঘটে পড়াশোনার। সব ঝড় ঝাপটা সামলে জীবনের বড় পরীক্ষায় সন্তানরা। কোভিডকালের পরে এই প্রথম বড় পরীক্ষা ঘিরে অভিভাবকরাও ছিলেন উচ্ছ্বসিত। কান্দির বিভিন্ন স্কুলগুলির গেটের বাইরে দেখা যায় অভিভাবকদের ভিড়ও।
    মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ্য হয়ে পড়ে  রুপালি খাতুন নামে পাঁচথুপি গার্লস বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার পরীক্ষা সেন্টার পড়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকের বাহাদুরপুর নিমা হাই স্কুলে। পরীক্ষা শুরুর শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা দিতে অক্ষম হয়ে পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করা হয় এবং রাজ্য সরকার তথ্য মধ্য শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন বাহাদুর পুর নিমা হাইস্কুলে শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে।  ছাত্রীটিকে হাসপাতালের একটি কক্ষে সুনিশ্চিত নিরাপত্তা ও শিক্ষকের উপস্থিতিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় প্রশাসন এবং বোর্ডকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন পরীক্ষার্থীর পরিবার।
     অন্যদিকে ১৮ দিনের বাচ্চা কোলে নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে নজির সৃষ্টি করল অর্পিতা পাল। সদ্যোজাত শিশুকে কোলে নিয়ে অর্পিতা পাল এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে জাগ্রত করল। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা ব্লকের আন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ দিনের বাচাকে কোলে নিয়েই জীবনের প্রথম পরিক্ষা দিতে কুলি মহা বিদ্যাপীঠে আসে।অতিমারির পর পরীক্ষা দিতে পেয়ে খুশি অর্পিতা সহ তার পড়িবার।


পরীক্ষা শুরুর পর জীবন্তির উদয়চাঁদ হাইস্কুল সহ একাধিক স্কুল পরিদর্শন করেন কান্দি বিডিও নীলাঞ্জন মন্ডল।

পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কান্দি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ।