অবৈধ সম্পর্কে বাঁধা! কান্দিতে মায়ের হাতে খুন ছেলে।

13th June 2021 1:32 pm রাজ্য
অবৈধ সম্পর্কে বাঁধা! কান্দিতে মায়ের হাতে খুন ছেলে।


অবৈধ সম্পর্কে বাঁধা! কান্দিতে মায়ের হাতে খুন ছেলে।

চেতনা বসু, কান্দি 

দীর্ঘদিন ধরেই মা ভানু ঘোষের অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিল, ছেলে দীনবন্ধু বছর কুড়ির যুবক মাকে সঠিক পথে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু শয়তানে না শুনে ধর্মের কথা! বরং ছেলের জীবনটাই খেয়ে নিলো মা! 
এমনই ঘটনা ঘটেছে কান্দির রুদ্রবাতি গ্রামে। 
পরিবার সুত্রে জানা গেছে  মৃত যুবকের নাম দীনবন্ধু ঘোষ (২০), দীর্ঘদিন ধরেই মায়ের অবৈধ সম্পর্কের জন্য মা ও ছেলের মধ্যে অশান্তি হতো, রবিবার সকালেই দীনবন্ধু ঘোষকে নিজের বাড়িতে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানয় বাসিদা ও পরিবারের সদস্যরা।
মা তার অবৈধ সঙ্গীদের নিয়ে ছেলে দীনবন্ধুকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। মৃত যুবকের গলায় দাগ রয়েছে যা থেকে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের,ঘটনা স্থলে কান্দি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে মৃত দেহ ময়না তদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।অভিযোগের ভিত্তিতে মা ভানু ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কান্দি থানার পুলিশ।





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।