জুন মাসে হচ্ছে না মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক, ঘোষণা মুখ্যসচিবের

15th May 2021 6:55 pm রাজ্য
জুন মাসে হচ্ছে না মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক, ঘোষণা মুখ্যসচিবের


জুন মাসে হচ্ছে না মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক, ঘোষণা মুখ্যসচিবের

চেতনা নিউজ 

 পিছিয়ে গেল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। জুন মাসে হচ্ছে না দশম ও দ্বাদশ শেনীর চূড়ান্ত পরীক্ষা, জানিয়ে দিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। অতিমারির জেরে চলতি বছরের একের পর এক পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। গত বছর করোনা আবহের মধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়েছিল শিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু সম্পুর্ণ করা যায়নি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা।

মাঝপথে বন্ধ করতে হয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক। দ্বাদশ শ্রেণির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। করোনার পরিস্থিতির জন্য চলতি বছরের একাদশ শ্রেণির চুড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে আগেই জানিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। এবার স্থগিত আরও দুই পরীক্ষা।


জুন মাসে হচ্ছে না পরীক্ষা। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘোষণা করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, কোভিডের জন্য আপাতত পরীক্ষা স্থগিত করা হল। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি দেখে পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

পূর্বের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১ জুন থেকে মাধ্যমিক এবং ১৫ জুন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। আজ, শনিবার নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, জুন মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কোনো পরীক্ষাই হবে না।প্রসঙ্গত, জরুরী পরিষেবা ছাড়া আগামী ৩০ মে পর্যন্ত কার্যত লকডাউন জারি রাজ্যে।


এই ১৫ দিন সকল স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস। খুচরো জিনিসের দোকান, দুধের দোকান, সবজি বাজার, মাংসের দোকান সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মিষ্টির দোকান। ওষুধের দোকান ও চশমার দোকান সাধারণ নিয়মে খোলা থাকবে। জিম, শপিং মল, সুইমিং স্কুল, বিউটি পার্লার বন্ধ থাকবে।


সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বাস, মেট্রো এবং ফেরি পরিষেবা। এছাড়া জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অটো এবং ট্যাক্সিও চলাচল করবে না।এই ১৫দিন রাত ৯টা থেকে পরেরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রেও জারি নিষেধাজ্ঞা। সব ধরনের জমায়েত বন্ধ।


সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবা, আদালত, টেলিকম পরিষেবা, সংবাদমাধ্যমের অফিস, স্যনেটাইজেশন বিভাগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা, ইন্টারনেট, পানীয় জল পরিষেবা চালু থাকবে।





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।