বামেদের ইস্তেহার: ক্ষমতায় এসে সমস্ত শূন্যপদ পূরণ, শিক্ষক নিয়োগে বাড়তি জোর, বেকারদের কর্মসংস্থানে দেওয়া হবে গুরুত্ব

11th March 2021 11:55 pm রাজ্য
বামেদের ইস্তেহার: ক্ষমতায় এসে সমস্ত শূন্যপদ পূরণ, শিক্ষক নিয়োগে বাড়তি জোর, বেকারদের কর্মসংস্থানে দেওয়া হবে গুরুত্ব


বামেদের ইস্তেহার: ক্ষমতায় এসে সমস্ত শূন্যপদ পূরণ, শিক্ষক নিয়োগে বাড়তি জোর, বেকারদের কর্মসংস্থানে দেওয়া হবে গুরুত্ব

চেতনা নিউজ 


কর্মসংস্থানের জোর দিল বামফ্রন্ট। ক্ষমতায় এলে শিক্ষক নিয়োগ এবং বেকারদের কর্মসংস্থানের দিশা দিতে কাজ করবে বামফ্রন্ট। নবান্ন দখলের লড়াইয়ের নির্বাচনী ইস্তাহারে এমনটাই জানাল তারা। বৃহস্পতিবার বামেরা সপ্তদশ বিধানসভা ভোটের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করে। সেখানেই শিল্প, কৃষি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শ্রমের মতো একাধিক বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জোর দেওয়া হয়েছে শিক্ষক নিয়োগ।
শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান নিয়ে বামেদের ইশতেহারে কি বলা হয়েছে? দেখেনিন-
রাজ্য বাজেটের অন্তত ২০ শতাংশ শিক্ষার জন্য বরাদ্দ করা হবে। নিরক্ষরতা দূরীকরণে বিশেষ গুরুত্ব আরােপ করা হবে। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক এবং সরকারের পক্ষে বাধ্যতামূলক করা হবে। মাধ্যমিক সমতুল বাের্ড উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের পারিবারিক আয়ের মাপকাঠিতে এককালীন অর্থ সাহায্য করা হবে, যাতে তারা পরবর্তী পর্যায়ের পড়াশােনা চালিয়ে যেতে পারে। বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ফি নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ নেবে। শিক্ষায় মস্তানরাজের অবসান ঘটানাে হবে। বিদ্যালয়ের সংখ্যা ও শিক্ষকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।
সিনেট, সিন্ডিকেটসহ গর্ভনিংবডিগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাধিকার সুরক্ষিত করা হবে। নিয়ােগের নীতি হবে স্বচ্ছ। শিক্ষায়

বেসরকারিকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ ও সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ করা হবে। সেই জন্য জাতীয় শিক্ষানীতি ২০, এরাজ্যে কার্যকর করা হবে না। বিদ্যালয় ছুট হ্রাস করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ ক্রমান্বয়ে উন্নীত করা হবে। ভর্তির পদ্ধতি হবে স্বচ্ছ। বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উপর সামাজিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হবে। উন্নতমানের শিক্ষার লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে যেসব শূন্যপদ আছে তা পূরণ করার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। যারা দীর্ঘদিন নিয়ােগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও কাজ পাচ্ছেন না তাদের নিয়মানুযায়ী নিয়ােগ করাতে দেরি করা যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী এসব পদে তফসিলি জাতি ও আদিবাসী শিক্ষকদের নিয়ােগ স্থগিত রাখা যাবে না। মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহ্যকে রক্ষা করে আরও সুসংহত, উন্নত আধুনিক ও প্রসারিত করা হবে।
অনুমােদিত মাদ্রাসাগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। শিশু শিক্ষাকেন্দ্র, মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলি সম্পর্কে ও পার্শ্বশিক্ষকদের সম্পর্কে সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়া হবে। বৃত্তিমূলক শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার পরিকাঠামােকে আরও বিস্তৃত করা হবে। প্রত্যেক ব্লকে আইটিআই, সমস্ত জেলায় নার্সিং স্কুল গড়ে তােলা হবে। উপযােগী মানব সম্পদ সৃষ্টির জন্য যথােপযুক্ত শিক্ষাক্রম চালু করা হবে। ছাত্র সংসদগুলির নির্বাচন নিয়মিতভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সংগঠিত করতে উৎসাহিত করতে হবে।





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 à¦®à§ƒà¦¤ আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   à¦ªà¦°à¦¿à¦¬à¦¾à¦° সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।