নিয়ম ভেঙেই ছুটছে বালিবোঝাই ডাম্ফার! বিপদ।

20th February 2021 8:21 pm রাজ্য
নিয়ম ভেঙেই ছুটছে বালিবোঝাই ডাম্ফার! বিপদ।


নিয়ম ভেঙেই ছুটছে বালিবোঝাই ডাম্ফার! বিপদ। 

জৈদুল সেখ, কান্দী 

অতিরিক্ত বালি এবং পাথর বোঝাই করা ট্যাক্টর, লরি এবং ডাম্পার অতিদ্রুতবেগে রাস্তা দিয়ে ছুটছে আর এতেই মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ। বিশেষত ডাম্ফারে ওভারলোড  বালি বোঝায় থাকার ফলে রাস্তায় যেতে যেতে সাইকেল কিংবা মটর সাইকেল চালকের চোখে পড়ে বিপদ ঘটছে, গতকাল সহম বাইকে তার স্ত্রী- মেয়েক নিয়ে কান্দী থেকে বহরমপুরে আসছিল ছোট্ট মেয়ে চোখে বালি পড়ে যন্ত্রানায় শেষপর্যন্ত হসপিটাল নিয়ে যেতে হয়েছিল। 
বীরভূম থেকে আসা শেরপুর রাস্তা হয়ে বহরমপুর মালদা যাওয়া গাড়িগুলো অতিরিক্ত শুকনো বালি বোঝায় করে রাস্তার উপর দিয়ে চলার সময় কোনো রকম ঢাকা না থাকায় বালীর কণাগুলো ঝরেঝরে রাস্তায় পড়ছে আর তাতেই ঘটছে বিপত্তি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়না বলেও স্থানীয় মানুষের অভিযোগ। 

অবৈধ বালির খাদান
তবে এব্যাপারে কান্দীর আই সি সুভাষ ঘোষ বলেন ওভারলোড বিষয় টি মটর ভ্যারিক্যাল ডিপার্টমেন্ট দেখে তিনারা আমাদের যেমন বলেন আমরা সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করি, তাছাড়া এই বিষয়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ টি গাড়ি জরিমানা করা হচ্ছে। "
 কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে যে জীবন্তি মোড় থেকে গাঁতলার মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ কিমি রাস্তায় কোনো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নেই তার উপরে রাস্তার দু'ধারে অবৈধ বালির খাদান থাকায় রাস্তা জ্যাম হচ্ছে ধুলোতে চারিদিক অন্ধকার হচ্ছে, আর তাতেই গত দু মাসে পাঁচটি অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ আরো ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয় মানুষের মনে করছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এ বিষয়ে কতটা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। 





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।