প্রাকৃতিক দুর্যোগেও প্রতিবাদ থেমে নেই , দেশের স্বার্থে শিক্ষার স্বার্থে লড়াই জারি S.F.I

21st May 2020 3:32 am রাজ্য
প্রাকৃতিক দুর্যোগেও প্রতিবাদ থেমে  নেই , দেশের স্বার্থে শিক্ষার স্বার্থে লড়াই জারি S.F.I


প্রাকৃতিক দুর্যোগেও প্রতিবাদ থেমে  নেই , দেশের স্বার্থে শিক্ষার স্বার্থে লড়াই জারি S.F.I


জৈদুল সেখ, বহরমপুর

ভিন রাজ্যে আটকে পড়া এরাজ্যের ছাত্র ও এরাজ্য আটকে পড়া ভিনরাজ্যের ছাত্রদের ঘরে ফেরাতে সরকারি হেল্পলাইন চালু করতে হবে । স্কুল শিক্ষায় এক শিক্ষাবর্ষ ও উচ্চ শিক্ষায় এক সেমিস্টার সমস্ত ফি মকুব করতে হবে এবং ছাত্র ও গবেষকদের স্কলারশিপ চালু রাখতে হবে – প্রয়োজনে বিশেষ সরকারি প্যাকেজ দিতে হবে ।লকডাউন মিটলে ফিজিক্যাল ডিস্ট্যান্স মেনে সাবজেক্ট নোট প্রদান ও এক্সট্রা ক্লাসের মাধ্যমে সিলেবাস শেষ করিয়া তবেই পরীক্ষা নিতে হবে। মুষ্টিমেয় সুবিধাপ্রাপকের স্বার্থে অনলাইনে শিক্ষাদান, পরীক্ষা বা মূল্যায়নকে বাধ্যতামূলক না করে সকলের জন্য শিক্ষার পরিকাঠামাে গড়ে তােলায় সরকারি ব্যয় বরাদ্দ বাড়াতে হবে ।
তরুণ প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বার্থে শিক্ষাবর্ষের পরিবর্তনের সাথে উচ্চতর ডিগ্রির পরীক্ষা ও চাকরি-সংক্রান্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সময়সূচী সঙ্গতিপূর্ণ করতে হবে ।লকডাউন পরবর্তী সময়ে শিক্ষাসূচী | ও শিক্ষাদানের পদ্ধতি সম্বন্ধে। ছাত্র-শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী সকলের সাথে আলােচনা ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন করতে হবে।এগুলো দাবি নিয়ে প্রতিবাদে বাম ছাত্র সংগঠন ভারতের ছাত্র ফেডারেশন SFI.

SFI এর মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটির সভাপতি জোসেফ হোসেন জানান,
ভাওতা নয়, দেশের স্বার্থে শিক্ষার স্বার্থে সঠিকভাবে সরকারকে কাজ করতে হবে।  বর্তমানে সারা দেশ জুড়ে আমাদের উক্ত দাবিদাবা নিয়ে প্রতিবাদ চলছে । তাই মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটি প্রতিবাদে নেমেছে।ছাত্রদের স্বার্থে আমরা লড়ছি ,লড়ব।





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।