কান্দীর মহলন্দী থেকে নিখোঁজ সাবরিনা খাতুন নামে এক মহিলা

10th February 2021 8:24 pm রাজ্য
কান্দীর মহলন্দী থেকে নিখোঁজ সাবরিনা খাতুন নামে এক মহিলা


কান্দীর মহলন্দী থেকে নিখোঁজ সাবরিনা খাতুন নামে যুবতী মহিলা 

জৈদুল সেখ, কান্দী, মুর্শিদাবাদ 

মুর্শিদাবাদের কান্দী থানার অন্তর্গত মহলন্দীর চাঁদপুর গ্রামে বাসিন্দা পিতা পিয়ারুল শেখ এর দাবি যে  তার মেয়ে সাবরিনা খাতুন বয়স ১৯ এর গত একবছর আগে  বিয়ে হয়েছিল বহরমপুর থানার অন্তর্গত শিয়ালমারা গ্রামে, সে গত পনেরো দিন  আগে পিতা পিয়ারুল শেখের বাড়িতে এসেছিল,
 গত ফেব্রুয়ারীর চার তারিখ মহলন্দী স্টেট ব্যাংকে যাব বলে বাড়ি থেকে বেলা দশটার সময় বেরিয়ে যায়,   কিন্তু তার তিন ঘণ্টা পর না আসায় পরিবারের সন্দেহ হওয়ায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে, অনেক খোঁজা খুজির পর না পেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের গত ৬ তারিখ কান্দী পুলিশ থানায় অভিযোগ করেন,  সাবরিনা নিখোঁজ হওয়ার আগে পরনে ছিল কালো ছাবা সালুয়ার কামিজ,
গায়ের রঙ ফর্সা, উচ্চতা ৫. ২" 

নিখোঁজ মহিলা
 এখন অব্দি সাবরিনা খাতুন না পেয়ে হতাশায় পিতা ও শশুর বাড়ির দুই পরিবার, এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
কান্দী থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এতোদিন কাটার পরেও কোনো খবর না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে প্রশাসন আদৌ কোনো তদন্ত করছে কী না?





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।