কান্দীর মহলন্দীতে করোনা পজেটিভের রিপোর্ট ভুল ছিল, সরকারি ভাবে জানাচ্ছে

23rd July 2020 12:34 pm রাজ্য
কান্দীর মহলন্দীতে করোনা পজেটিভের রিপোর্ট ভুল ছিল, সরকারি ভাবে জানাচ্ছে


কান্দীর মহলন্দীতে করোনা পজেটিভের রিপোর্ট ভুল ছিল, সরকারি ভাবে জানাচ্ছে

জৈদুল সেখ, কান্দী 

 কান্দী থানার অন্তর্গত মহলন্দী ১ গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে ইয়াসমীন আক্তার নামে এক মহিলার গত ১০ই জুন করোনা পজিটিভ হয়েছে বলে রিপোর্ট দিয়েছিল বহরমপুরের এক বেসরকারী নার্সিং হোম। কিন্তু করোনা সংক্রান্ত কোনো লক্ষণ না থাকায় পরিবারের সন্দেহ ছিল, ফলে পরিবারের তরফে বহরমপুর মেডিক্যাল থেকে গত ১৪ তারিখ আবার করোনা সংক্রান্ত পরীক্ষা করা হয় এবং সেই রিপোর্টে দেখা যায় নেগেটিভ অর্থাৎ করোনার কোনো লক্ষণ নেই। ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী মাইনুল কবীর জানাচ্ছেন যে

"আমার স্ত্রীর তো বটেই আমাদের পরিবারের ১২ জন সদস্যের সকলের করোনা নেগেটিভ এসেছে।সবচেয়ে খুশির বিষয় আমার স্ত্রী প্রেগন্যান্ট ছিল বর্তমানে কণ্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছে সেই নতুন সদস্যও সুস্থ আছে। " 


 এই নেগেটিভ রিপোর্ট আসার পর পরিবার ও এলাকায় ভয় বিভ্রান্তি দূর হয়ে খুশির আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে এই ধরনের ভুল রিপোর্ট যারা দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কী না সেদিকে তাকিয়ে পরিবার। 
 





Others News

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন,  এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা


পর ফোন করছি কিন্তু আর ফোন আসেনি, সৈয়দিতেই আলীর দাফন, 

  • এখনো বাবার অপেক্ষায় ৬ বছরের সরা

রঙ্গিলা খাতুন, বড়ঞা

সংসার সামলাতে রুটিরুজির টানে কাজে গিয়েছিলেন ভিনদেশে। আর সেখানে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। সৌদি আরবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার যুবক। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দির বড়ঞা থানার বদুয়া গ্রামের বাসিন্দা নাম আলি হোসেন শেখ (৩৪)। 
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত আলী হোসেনের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করলেও শকোনো সুরাহা মিলেনি। শেষ পর্যন্ত আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে সৈয়দি আরবেই জানাযার নামাজ পড়ে খবর দেওয়া হয়েছে জানান মৃত আলীর ফুপাইতো ভাই মাহাবুর রহমান। 


 মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন বলেন গত তিন বছর আগে কাজের সুত্রে সৈয়দি আরবের আল খারিজে গিয়েছিল, ওখানে কপিলের সঙ্গে ইকামা নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। বাইরে বাইরে কোনো রকমে কষ্ট করে কাজ করত। ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু ইকামার জন্য সঠিক সময়ে বাড়ি ফিরতে পারেনি। সৈয়দি আরবেই ঈদের নামাজ পড়েন। তার স্ত্রী আরও জানান  মঙ্গলবার রাত্রি আটটার সময় আমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল আবার পর ফোন করছি বলে রেখে দেওয়ার পাঁচ মিনিট পর সেখান থেকে তার বন্ধুরা জানান মারা গেছে। আমি তো বিশ্বাস করতেই পারছিলাম না। পরে ভিডিও কল করে জানতে পারলাম স্টোক হয়ে মারা গেছে।
   পরিবার সুত্রে জানা গেছে মৃত আলী হোসেনের দেহ আনার জন্য কপিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে দায়িত্ব নেয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেভাবে আশ্বাস না পাওয়া যায়নি তাছাড়া দেহ আনার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রসঙ্গ উঠছে। দীন মজুর কোনো রকমে সংসার চলে লাশ নিয়ে আসার খুব চিন্তা পড়েছিল সংসার। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে আরও মৃত তিনজনের সঙ্গে মৃত আলী হোসেনের জানাযার নামাজ পড়ে সৈয়দ আরবেই মাটি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ফুপাই তো ভাই মাহাবুর রহমান।
  মৃত আলী হোসেন কে শেষ বারের মতো দেখতে না পেয়ে চোখের জলে ভেজালেন স্ত্রী রাজ নেহার খাতুন। এখনো বাবার অপেক্ষায় ছয় বছরের ফুটফুটে মেয়ে সরা খাতুন।